সমকামিতা-- ফেসবুক এবং আম্রিকা


আম্রিকা সমকামিদের বিয়ে 'জায়েজ' ঘোষণা করার পর দেশটি 'যৌনাধিকার' স্বীকার করে নিয়েছে এ আনন্দে অনেকে উত্তেজিত। অনেকে বুঝে, না বুঝে কেউ হুজুগে মার্ক জাকারবার্গের ফেবুট্যাবলেট খেয়ে নিজের ছবিটা  সাতরঙের নিচে লুকিয়ে নিজেকে অগ্রগামি প্রমাণের চেষ্টা করেছেন--- আমাদের দেশেও।

ধারণা করি এদের অনেকের সমকামিতার অভিজ্ঞতা থেকে থাকবে, অথবা তারা সমকামিতায় ইচ্ছুক অথবা তারা সমকামিতাকে প্রশ্রয় দিতে ইচ্ছুক। সে যা-ই হোক স্বাধীন মানুষের চিন্তা জগতও স্বাধীন। তবে এ স্বাধীনতার সাথে আমার ব্যাক্তিগত দ্বিমত রয়েছে।  আমি সরাসরি এটার বিপক্ষে।

২১ জানুয়ারী ২০১৪ সালে আমি এ সংক্রান্ত একটি ব্লগ লিখেছিলাম। সেটি আপনারা আরেকবার চোখ বুলাতে পারেন। সেখানে আমরা কথা গুলো এ রকম--- 'রূপবান' বের হয়েছে। সমকামিদের কথা বার্তা নিয়ে প্রথম মলাটবদ্ধ বাংলা প্রকাশনা। আমাদের আশপাশে অনেক সমকামি আছেন, ছিলেন এবং থাকবেন। তাদের অধিকতার নিয়েও কাজবাজ হচ্ছে। হবেও। তাতে আমার বিদ্রোহ করার মত কোনো ঘটনা ঘটেনি।

অনেকে এটাকে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখছেন- দেখবেন, তবে এটাকে যদি আমরা সমস্যা মনে করি তাহলে- সমাধানটা এখনই ভাবনায় আনা দরকার।

পশ্চিমা দুনিয়ার যাপিত জীবন সম্পর্কে আমার প্রত্যক্ষ ও বিশদ ধারণা নাই। কিতাব পত্র পড়ে কিছুটা জেনেছি মাত্র। বিশ্বজুড়ে সমকামিদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা। আমেরিকা সমকামি বিয়ে জায়েজ করেছে। কিন্তু কুরআনে আছে কাওমে লুতকে আল্লাহ সমকামিতার চরম শাস্তি দিয়েছিলেন।

আমাদের দেশে সমকামিতা রয়েছে, এটা স্বীকার করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে একটি বিশেষ সম্প্রদায় যারা বোর্ডিং স্কুলে বা মাদরাসায় পড়েন, তাদের দিকে ইঙ্গিত করা হতো। এখন সে বলয় থেকে এটা বেরিয়ে বড় আকারে সামনে এসেছে।

বিব্রতকর এ বিষয়টি আমরা এখনো সামাজিকভাবে তো বটে, পারবারিক- এমনকি ব্যাক্তিগতভাবেও গ্রহণ করতে পারি না, পারার কথাও নয়। বিশ্বেবর কোথাও মনে করা হয়- এটা রোগ। এটা অপরাধ হিসাবে দেশে এখনো স্বীকৃত।


আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি সমকামিদের অধিকার বাস্তবায়নে তার সরকারের সোচ্চার থাকার কথা একখানা ঘোষণাপত্রে সই করে জানিয়েছেন। একই জায়গায় ড. ইউনূসও একমত।

তবে সরকার এখানে ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে ড. ইউনূসের বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে ২০১৩ সালে।

 নয়া আওয়ামী লীগের সরকারের হানিমুন পিরিয়ডে রূপবান প্রকাশ পেলো, এটা নিয়ে আমাদের রাজনীতির কিছু নাই। তবে উপলব্ধি:র অনেক কিছুই আছে। কারণ আমরা প্রথম সিদ্ধান্ত নিবো- সমকামিতাকে আমরা কোন চোখে দেখবো!

এটা কি অপরাধ? যদি অপরাধ হয়, তাহলে আমরা কীভাবে এর মোকাবেলা করবো। যদি অপরাধ না হয় তাহলে আমরা এটা থেকে যারা রক্ষা পেতে চায় তাদের কীভাবে সুরক্ষা করবো।

এ দুটো প্রশ্ন নিরয়ে ব্যাপক আলোচনা হতে পারে- সে জন্য বিশেষজ্ঞরা আছেন। আমি আমার ঝুলিতে থাকা অনেক ঘটনা থেকে কয়টা বলি। সাথে ছোট্ট একটা টোটকা সমাধানের কথাও বলবো।

২০০৩ সালে মানবজমিন একটা রিপোর্ট করেছিল, বিদেশি সমকামি পুরুষদের জন্য রাজধানী ঢাকায় কিছু ছেলে ভাড়া খাটেন। তার মানে নারীদের মত এ পুরুষরাও শরীর বেচেন।

একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রী হলে সমকামি নিয়ে তুলকালাম হয়, খবরটি আমি, চেপে যাই, কারণ এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইজ্জতের মামলা বলে মনে করেছিলাম!

একই বছর ফরিদগপুরে এক নারী সমকামি জুটি বিয়ে করলে তোলপাড়, তা নিয়ে মানবজমিন ধারাবাহিক রিপোর্ট করেছিল। সে সময় সমকামিদের অধিকার নিয়ে তর্ক হয়েছে, এবং এটাকে অপরাধ বিবেচনা করে মামলাও হয়েছিল।

তারো আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের মিত্র একটি রা্জনৈতিক দলের একজন বহিষ্কৃত নেতা সম্পর্কে সমকামিতার অভিযোগ ওঠে এবং সম্ভবত সংগ্রাম পত্রিকা খবরটি প্রকাশ করেছিল।

বাংলাদেশে সমকামিতাকে অন্যকে ঘায়েল করার হাতিয়ার হিসাবে দেখা হয়, বিশেষ করে যে সব দল ইসলাম 'প্রতিষ্ঠা'র রাজনীতি করেন, তাদের থেকে কেউ বিচ্যুত হলে তার বিরুদ্ধে হয় সমকামিতা না হয় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ অথবা দুটোই উত্থাপন করে তাকে সামাজিকভাবে জিরো করে দেয়ার চেষ্টা হয়।

মুসলিম, বৌ্দ্ধ, খ্রিস্টান এবং হিন্দু অনাথালয়ে সমকামিতা দেশের আনাচে কানাচে রয়েছে। দেশে নারীদের মধ্যে সমকামিতা তুলনামূলক কম বলে আমার ধারণা । এ ধারণা ভুলও হতে পারে।

এটা থেকে মুক্তির উপায় কি? আমার মনে হয় নৈতিক শিক্ষা। আমরা সন্তানদের ছোট বেলা থেকেই যদি সুরক্ষা করতে পারি এবং নৈতিক ভিত শক্ত করতে পারি, তার ভেতর দিয়ে এ সঙ্কট মোকাবিলা করতে পারবো। একই সাথে নিয়মিত কাউন্সিলিং এবং নারী পুরুষদের মধ্যকার সম্পর্ককে সহজ করে উপস্থাপন করাটাই শ্রেয় এবং এ বিষয়ে শিশুদের বিস্তারিত জানানো। একই সাথে কারো মধ্যে সমকামিতার প্রবণতা থাকলে সেটাকে আগেই অ্যাড্রেস করে তাকে এ সমস্যা থেকে বের হতে সহায়তা করা । তাদের ঘৃণা নয়, ভালোবাসা দিয়ে জয় করতে হবে।

একেই বলে প্রেম--- পুত্র প্রেম!


বড় ক্লান্তি ভর করে চোখের ওপর
মেঘ নেমে গেলে কুয়াশার মত নীলগিরি চূড়ায় পরীরা আসে
হাত বাড়ায়---
শরীর ছুয়ে যায় বিকালের কিশোরী বৃষ্টি-তুষারধারার মত বয়ে যায় মেঘবালিক

চোখ বন্ধ হয়ে আসে সুখে---মনের ভেতর গুমরে মরা মেঘগুলো ঝরে বৃষ্টি হয়ে--- চোখের পাতায়
 বৃষ্টির সাথে আমিও কাঁদি।।

 জল গড়িয়ে সারা বছরের শুষ্ক পাহাড় ভিজতে থাকে
 ভিজতে থাকা যৌবন, ডুবে যায় সিদ্ধান্তহীনতার ভেতর

 মৃত্তিকা খসে পড়ে; তার নীচে চাপা পড়ে কারো জীবন
 সাঙ্গু নদীর জল উপচে পড়ে, পাহাড়ে এ ধার ও ধার থেকে গড়ানো জলে ছোট ছোট ঝরণা

 এত উৎসব কিসের, কিসের এত উচ্ছ্বাস

শৈশবে যা চেয়েছি; পেয়েছি তার সবই!
তারুণ্যে যা সঠিক বলেছি
যৌবনে সেটাকে ভুল মনে হচ্ছে।

 যদি বৃদ্ধ হবার ভাগ্য হয়--- তাহলে তাকে কী বলবো

বড় ক্লান্তি ভর করেছে চোখের পাতায়, শরীরটা টেনে নিয়ে অরণ্যে রাখি,
পাহাড়ের চূড়ায় রাখি---
 অপরাধ আমাকে পুড়িয়ে যায়।
প্রতিটা বিকালে ভাবি--- এ জীবনজুড়ে--- এখানেই আনন্দ উৎসবের কথা ছিল

বহু রঙ্গের ভেতর নিজেকে মেলাতে গিয়ে নিজের রঙই হারিয়ে গেছে
বহুজনের কষ্ট ধরতে গিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথাটাই ভুলে গেছি

তবুও দুই জোড়া  চোখ
একবার তাকালে---চোখের তারায় একবার ভাসলে
পৃথিবীর সব কষ্ট মুহুর্তে উড়ে যায়।
ঝকঝকে রোদে হেসে ওঠে একটা জীবন।
একেই বলে প্রেম--- পুত্র প্রেম।  

লালবাগ কেল্লা লইয়া প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তেলেসমাতি



লালবাগ কেল্লার ভিত্রে রোজা উপলক্ষে যে ভিআইপিদের ইফতারির হাট বসায়নি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সেটাও ভাগ্যের ব্যাপার। আশা করি সামনের কুরবানির ঈদে তারা সেখানে কুরবানী হাট বসাবেন। যাতে ভিআইপিরা গাড়ি পার্ক করে  আরাম করে গরু কিনে ফিরতে পারেন। আর গরুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য কেল্লার ভিত্রের যে জল প্রবাহের  ক্যানেল আছে তার ভালো ব্যবহার  হবে। এ সব অকেজো রেখে কী লাভ।

 দেশে অনেক বেকার  তাদের সেখানে পুনর্বাসনও সোয়াবের কাজ । প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে পর্যটকদের জন্য একটা কেনাগার বা বিক্রয়াগার কিম্বা সুভিনির শপ নামে কয়েকটা দোকান খুলে ব্যবসাও পাততে পারেন। ভোজন রসিক ভিআইপিদের জন্য কেল্লার অভ্যন্তরে কয়েকটা ঐতিহ্যবাহি খাবারের দোকান খুলতে পারেন--- যেমন হাজির বিরিয়ানি, রাজ্জাকের  মাঠা  আর পাঠা মহা পরিচালকের  বউয়ের কোনো রসেপিতে রান্ধা  রসগোল্লা।

এ সবে কেল্লার আয় বাড়বে। মহাপরিচালকের আয় বাড়বে। তার মাথার উপ্রে ছাতি ধরে রাখা লোকেরও খোশ দিল থাকবে। তা ভাইসাব আসেন লালবাগ কেল্লার ভিত্রে খালি ঘরে  প্রত্নতত্ত্ব মহাপরিচালকের বাসস্থান করাও যেতে পারে। এতেও কিন্তু কেল্লার মূল নকশার কোনো পরিবর্তন হবে না।

কেল্লার দেয়াল ভেঙ্গে ভিআইপিদের জন্য গাড়ি পার্কিংয়ের কাজ শুরু করে মহাপরিচালক আলতাফ হোসেন বলেছেন, 'এই দেয়াল ভাঙার কারণে লালবাগের কেল্লার মূল নকশার খুব একটা ক্ষতি হবে না।'

সাহিত্যিক মইনুল আহসান সাবের  ফেসবুকে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন--- '  যথাযথ উদাহরণ দিতে গিয়ে মহাপরিচালক নিজের হাঁটু থেকে দু পা কেটে ফেলে বলতে পারতেন, দেখুন তো, আমার মূল নকশার কোনো ক্ষতি হয়েছে?'

 আমারো তাই মনে লয়। 

পর্যটকদের যে কোনো জায়গায় যাবার আগে কিছু জরুরী বিষয়ে জেনে নেয়া দরকার-


১. লোকাল নিরাপত্তা, ২. পর্যটন স্পটের নিরাপত্তা, ৩. খাবার দাবার, ৪.থাকার ব্যবস্থা, ৫.যানবাহন,৬. পর্যটকের জন্য স্বাস্থ্য সুিবিধা ৭. সাইট সিয়িংএর ঝুঁকি এবং ৮. প্রযুক্তি ও সময় সমন্বয়।
এ সব না জেনে হুট করে কোথাও যাওয়াটা ঠিক নয়। আমরা ভ্রমন করি আনন্দের জন্য। রবীন্দ্রনাথ তার শেষের কবিতায় স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য হাওয়া বদলের কথা বলেছেন।
হাওয়া বদল বা ভ্রমণ আমাদের স্বাস্থ্য, প্রতিদিনকার জীবন এবং বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয়-স্বজন-পরিবারের সাথে সম্পর্ককে মজবুত করে। একই সাথে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের মাধ্যমে নিজের মনে প্রাণে অসাধাররণ অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিয়ে থাকে।
একই সাথে ভিন্ন সংস্কৃতি, লোকজ মেলা-পরিবার ও স্পটের সাথে পরিচয়ের সুযোগ ঘটে থাকে।

এবার মাঠ ছেড়ে সীমান্তে নজর দিন বঙ্গবাসী

নায়েক রাজ্জাক কে ফেরত না পাবার নবম দিন । এবার মাঠ ছেড়ে সীমান্তে নজর দিন বঙ্গবাসী।
গত সপ্তাহের বুধবার রাজ্জাককে অপহরণ করে মিয়ানমার বর্ডার পুলিশ- বিজিপি।
হতাশার কথা হলো পতাকা বৈঠক হবে শুনছি। এখনো হয়নি ।
রক্তাক্ত রাজ্জাককে গাছের সাথে বেছে রাখার মৃদু প্রতিবাদ সংসদে হয়েছে। এটা একটা ভালো খবর ।
সবাই নিশ্চিতভাবে একমত হবেন --- মিয়ানমারের খোয়াড়ে রাজ্জাক নয়। পুরো বাংলাদেশ ।
রাজ্জাক এখানে প্রতীক মাত্র । দল আপনার যা-ই হোক ; মত আপনার ভিন্ন হোক --- সীমান্ত কিন্তু একটা ।
তাই সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধে আমাদের উদ্যোগ দরকার ।

'বাইরে না পারলে ঘরে এসে বউ কিলাও'

কথাও কাজে মিল থাকলে বিজিবি প্রধানের বয়ান শুনেও শান্তি লাগতো। ৬ দিন ধইরা নায়েক রাজ্জাক মিয়ানমারের বন্দী। মেরে তার নাক ফাটিয়ে দেবার পরেও বিজিবি প্রধানের ১৫ জানুয়ারী ২০১৫ দেয়া বক্তব্যের প্রতিফলন দেখলাম না। গ্রাম অঞ্চলে একটা কথা আছে 'ঘরেই সব পারে; বাইরে পারো না। wink emoticon'--- 'বাইরে না পারলে ঘরে এসে বউ কিলা্ও।' এটা হলো বাইরে কোনো মুরদ ফলাতে ব্যর্থ পুরুষের জন্য ব্যবহৃত বা অতি ব্যবহৃত কথা। বিজিবি কর্তাদের জন্য এ কথটা ব্যবহার করবেন না---- প্লিজ।

''সাংবাদিক সম্মেলনে বর্তমান পরিস্থিতি ছাড়াও বিজিবি’র গত বছরের কর্মকাণ্ডের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে মিয়ানমার সীমান্তে কোনো সমস্যা হলে তা তাত্ক্ষণিক যোগাযোগে সমাধান করা যায়। গত জুন ও ডিসেম্বরে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকের পর তাত্ক্ষণিক যোগাযোগ সম্ভব হয়েছে। আগে মিয়ানমার কোনো ইয়াবা ব্যবসায়িকে ধরতো না। আলোচনার পর তারা একবার দুই লাখ, আরেকবার চার লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে। তবে মাদক মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর চোরাকারবারীদের অনেকেই জামিনে বেরিয়ে যায় বলে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।''

১৬ জানুয়ারী ইত্তেফাকে প্রকাশিত খবর।

খবরের লিঙ্ক http://www.ittefaq.com.bd/national/2015/01/16/11781.html

পিৎজা খোরদের জন্য দুঃ সংবাদ

আমার মত পিৎজা খোরদের জন্য দুঃ সংবাদ।  পিৎজা হাট মেয়াদোত্তীর্ণ মাল ব্যবহার করে। ব্যবহার করে ক্যামিকেল। যেইটা বিএসটিআই অনুমোদনও করে না। আহা তুমি এমন ক্যারে পিৎজা হাট। এমুন ক্যারে কেএফসি। তুমরা চিকেন বইলা কয়দনি আগে ইঁন্দুর দিছো।  


 বিএসএস এর খব্বর

KFC, Pizza Hut fined
Mobile court finds date-expired items, adulterated oil, unauthorised chemicals

A mobile court of the Dhaka Metropolitan Police (DMP) yesterday realised Taka one lakh each from three branches of popular eateries KFC, Pizza Hut, Boomers in fines at Baily Road, reports BSS.The mobile court headed by executive magistrate Md Moshiur Rahman fined KFC on charges of selling date expired goods and using adulterated oil in different food items while Pizza Hutt was fined for using two chemicals, bolognaise sauce seasoning and extreme seasoning, which have no BSTI approval and license, an official release said.It also fined Boomers on charges of keeping rotten meat and adulterated food items in refrigerator, it also said.
The eateries gave the fine soon after the court order.DMP has vowed to continue the drive during the holy month of Ramadan.Transcom Foods Limited operates the international food chain restaurant Pizza Hut in Bangladesh under a franchisee license, and introduced the brand in the country 2003. The company, later in 2006, also became the franchisee of Kentucky Fried Chicken (KFC).Pizza Hut is an American restaurant chain and international franchise that offers different styles of pizza and are famous for their high quality and delicious food items. It was founded on June 15, 1958 by brothers Dan and Frank Carney in their hometown of Wichita, Kansas. KFC (Kentucky Fried Chicken) is a fast food restaurant chain headquartered in Louisville, Kentucky, United States, which specializes in fried chicken. The brand has a large presence in Asia with over 640 KFC franchisee restaurants in Malaysia, Singapore, Cambodia, India and Bangladesh. 

 ছাপছে দ্য ইনডিপনেডেন্ট ; মূল নিউজের লিঙ্ক http://www.theindependentbd.com/post/4663

রাষ্ট্রের অস্ত্র রোজা পালন করে

রাষ্ট্র যে গরিব মানুষের ট্যাকা খরচা কইরা অস্ত্র কিনে সেটা ক্যান কিনে । রাজ্জাকদের নাক দিয়া রক্ত পড়ে । রাষ্ট্রের অস্ত্র রোজা পালন করে ।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে না কো তুমি :(